পারে লয়ে যাও আমায়
এপারে অধিক সন্যাসী, ওপারে গাজন
আমাকে প্রলুব্ধ করে ঘোলা জলের নদী,
চ্যাং, কৈ, কাঁকড়া ঝাক,
জলে ভেজা আউসের ক্ষেত
রৌদ্র ছায়ার মত এই রক্ত ক্ষরন,
আমি জানি এই খামার একমাত্র সত্য,
এই ক্ষেত থেকে উঠে আসা যে কোন রক্ত
মুখ থেকে মুখাগ্নি পর্যন্ত কাচ্চি ঘানির মত খাঁটী
ধানক্ষেত থেকে উঠে আসা এই সবমুখ একদিন
হুঁকোমুখো হতে চেয়ে এই রূপসী বাংলায়,
কাঁদা আর ঘামে মাখামাখি খেলা এই ত্বকে
স্পর্শ সুখের আশায় খুলে রাখি সুতপা ম্যাডামের দেওয়া
কন্ডোম প্যাক, উন্মুক্ত করে রাখি সমস্ত রাত্রিকে
জল পড়ে ,
পাতা নড়ে
এই মুলী বাশের বেড়ার ঘরে আগুনকে দাবিয়ে রেখে
এক কল্কে ছাই,
এক কল্কে ছিলিম আমাদের সভ্যতার শেষ চিরাগ,
আমাদের এই গাজন কে কোন ভাবেই আমি আর
নষ্ট হতে দেবো না ।
মিলন হবে কত দিনে
তোরা কেউ যাস নে ও পাগলের কাছে।
তিন পাগলে হলো মেলা নদে’ এসে।।
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে
জীব মলে জীব যায় কোনখানে
ঈশ্বরের ঘরবাড়ি যদি নাই দেহভুবনে।।
তোমার ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন।
কীসে চিনবি রে মানুষরতন।।
দেখ না রে মন পুনর্জনম কোথা হতে হয়।
মরে যদি ফিরে আসে স্বর্গনরক কে বা পায়।।
পিতার বীজে পুত্রের সৃজন
তাই তো পিতার পুনর্জনম
পঞ্চভূতে দেহের গঠন
আলেকরূপে ফেরে সাঁই।।
ঝিয়ের গর্ভে মায়ের জন্ম
এ বড় নিগূঢ় মর্ম
শোণিত শুক্র হলে গম্ভু
সব জানা যায়।।
শোণিত শুক্র হলে বিচার
জানতে পারবি কে জীব কে ঈশ্বর
সিরাজ সাঁই কয় লালন এবার
ঘুরে মলি কোলের ঘুরায়।।
দেখলাম কি কুদরতিময়
By subirmodak
দেখলাম কি কুদরতিময়।
বিনা বীজে আজগুবি গাছ ফুল ধরেছে তাই।।
নাই সে গাছের আগাগোড়া
শূন্য ভরে আছে খাড়া
ফল ধরে তার ফুলটি ছাড়া
দেখে ধাঁধা হয়।।
বলবো কি সেই গাছের কথা
ফুল মধু ফলে সুধা
সৌরভে তার হরে ক্ষুধা
দরিদ্রতা যায়।।
জানলে গাছের অর্থ-বাণী
চেতনা বটে সেহি ধনি
গুরু বলে তারে মানি
লালন ফকির কয়।।
https://lalonsain.wordpress.com/2012/02/page/7/
আমাকে প্রলুব্ধ করে ঘোলা জলের নদী,
চ্যাং, কৈ, কাঁকড়া ঝাক,
জলে ভেজা আউসের ক্ষেত
রৌদ্র ছায়ার মত এই রক্ত ক্ষরন,
আমি জানি এই খামার একমাত্র সত্য,
এই ক্ষেত থেকে উঠে আসা যে কোন রক্ত
মুখ থেকে মুখাগ্নি পর্যন্ত কাচ্চি ঘানির মত খাঁটী
ধানক্ষেত থেকে উঠে আসা এই সবমুখ একদিন
হুঁকোমুখো হতে চেয়ে এই রূপসী বাংলায়,
কাঁদা আর ঘামে মাখামাখি খেলা এই ত্বকে
স্পর্শ সুখের আশায় খুলে রাখি সুতপা ম্যাডামের দেওয়া
কন্ডোম প্যাক, উন্মুক্ত করে রাখি সমস্ত রাত্রিকে
জল পড়ে ,
পাতা নড়ে
এই মুলী বাশের বেড়ার ঘরে আগুনকে দাবিয়ে রেখে
এক কল্কে ছাই,
এক কল্কে ছিলিম আমাদের সভ্যতার শেষ চিরাগ,
আমাদের এই গাজন কে কোন ভাবেই আমি আর
নষ্ট হতে দেবো না ।
তোরা কেউ যাস নে ও পাগলের কাছে।
তিন পাগলে হলো মেলা নদে’ এসে।।
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে
জীব মলে জীব যায় কোনখানে
ঈশ্বরের ঘরবাড়ি যদি নাই দেহভুবনে।।
তোমার ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন।
কীসে চিনবি রে মানুষরতন।।
দেখ না রে মন পুনর্জনম কোথা হতে হয়।
মরে যদি ফিরে আসে স্বর্গনরক কে বা পায়।।
পিতার বীজে পুত্রের সৃজন
তাই তো পিতার পুনর্জনম
পঞ্চভূতে দেহের গঠন
আলেকরূপে ফেরে সাঁই।।
ঝিয়ের গর্ভে মায়ের জন্ম
এ বড় নিগূঢ় মর্ম
শোণিত শুক্র হলে গম্ভু
সব জানা যায়।।
শোণিত শুক্র হলে বিচার
জানতে পারবি কে জীব কে ঈশ্বর
সিরাজ সাঁই কয় লালন এবার
ঘুরে মলি কোলের ঘুরায়।।
দেখলাম কি কুদরতিময়
By subirmodak
দেখলাম কি কুদরতিময়।
বিনা বীজে আজগুবি গাছ ফুল ধরেছে তাই।।
নাই সে গাছের আগাগোড়া
শূন্য ভরে আছে খাড়া
ফল ধরে তার ফুলটি ছাড়া
দেখে ধাঁধা হয়।।
বলবো কি সেই গাছের কথা
ফুল মধু ফলে সুধা
সৌরভে তার হরে ক্ষুধা
দরিদ্রতা যায়।।
জানলে গাছের অর্থ-বাণী
চেতনা বটে সেহি ধনি
গুরু বলে তারে মানি
লালন ফকির কয়।।
https://lalonsain.wordpress.com/2012/02/page/7/
No comments:
Post a Comment